রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সময়: রাত ৯:০৯

সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানি রাইবাকিনা

ইউএস ওপেনের নারী এককে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল টেনিস বিশ্ব। শনিবার রাতে ফাইনালে শীর্ষ বাছাই বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬-৪, ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতেছেন কাজাখস্তানের দ্বিতীয় বাছাই এলেনা রাইবাকিনা।
২ ঘণ্টা ২১ মিনিটের লড়াই শেষে জয় তুলে নেওয়া রাইবাকিনার এটি ক্যারিয়ারের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা। একই সঙ্গে ২৭ বছর বয়সী এই তারকার জন্য এটি ইউএস ওপেনে প্রথমবারের মতো ফাইনাল জয়।
প্রথম সেটের শুরুতে দুই খেলোয়াড়ই নিজেদের সার্ভ ধরে রাখেন। তবে পঞ্চম গেম থেকেই সাবালেঙ্কার সার্ভিসে চাপ বাড়াতে থাকেন রাইবাকিনা।
শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে এগিয়ে যান কাজাখ তারকা। সেট পয়েন্টে সাবালেঙ্কার ব্যাকহ্যান্ড বেসলাইনের বাইরে চলে গেলে সেটটি নিজের করে নেন রাইবাকিনা।
দ্বিতীয় সেটে অবশ্য দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ান সাবালেঙ্কা। তিনটি সেট পয়েন্টের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৭-৫ ব্যবধানে সেট জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি।
হার্ড কোর্টে সাবালেঙ্কার রেকর্ডও ছিল দুর্দান্ত। তার চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার সবকটিই এসেছে হার্ড কোর্টে-দুটি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও দুটি ইউএস ওপেন।
তবে তৃতীয় সেটে আর কোনো সুযোগ দেননি রাইবাকিনা। তৃতীয় ও সপ্তম গেমে সাবালেঙ্কার সার্ভিস ব্রেক করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজের হাতে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬-২ ব্যবধানে সেট জিতে নিশ্চিত করেন ঐতিহাসিক শিরোপা।
সাবালেঙ্কার বিপক্ষে আগের ১৭ দেখায় ১০টিতেই জিতেছিলেন বেলারুশ তারকা। তবে সাম্প্রতিক দুই গ্র্যান্ড স্ল্যাম সাক্ষাতে রাইবাকিনাই এগিয়ে। চলতি বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালেও সাবালেঙ্কাকে হারিয়েছিলেন তিনি।
ফ্লাশিং মিডোজের এই ফাইনালটি ছিল বিশেষও। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম ইউএস ওপেন নারী এককের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছেন শীর্ষ দুই বাছাই।
শুধু ইউএস ওপেন শিরোপাই নয়, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর স্থানও নিশ্চিত করেছেন রাইবাকিনা। বুধবার কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের ঝেং কিনওয়েনকে হারানোর পরই তিনি শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেন। এর ফলে সাবালেঙ্কার টানা ৯৯ সপ্তাহের এক নম্বর থাকার যাত্রারও অবসান ঘটে।
শিরোপা জয়ের পর রাইবাকিনা বলেন, এই টুর্নামেন্টে এসে এমন কিছু প্রত্যাশাই করিনি। একটু চোটের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু কোনোভাবে সবকিছু আমার পক্ষে মিলে গেল।
এমএমআর
 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট